সোনারগাঁয়ে গার্মেন্টস কর্মীকে গণধর্ষণ, গ্রেফতার-৫

2

সোনারগাঁ বার্তা ২৪ ডটকম: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় এক গার্মেন্টস কর্মীকে সোমবার জোর পূর্বক তুলে নিয়ে রাতভর গণধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (০৮ অক্টোবর) দুপুরে ওই তরুনী বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে সোনারগাঁ থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছে। ধর্ষনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৫ ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ।

গ্রেফতারকৃত ৫ ধর্ষক হলো, উপজেলার জামপুর ব্রাহ্মনবাওগাঁ গ্রামের মোঃ মুজিবুর রহমানের ছেলে আবু সাঈদ (২৫), একই গ্রামের রেহাজ উদ্দিনের ছেলে ইমরান মিয়া (২৩), নবী হোসেনের ছেলে রনি মিয়া (২০), আবু সিদ্দিক মিয়ার ছেলে আবুল হোসেন (৩২), বাগবাড়িয়া গ্রামের ভুট্রো মিয়ার ছেলে মাসুদ মিয়া (২২)। এছাড়া ব্রাহ্মনবাওগাঁ গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে আরিফ (১৯) ও মৃত সামসুল হকের ছেলে জাহাঙ্গীর (২৮) পলাতক রয়েছে। 

মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, রূপগঞ্জ উপজেলার রবিন টেক্স গার্মেন্ট থেকে সোমবার ছুটি শেষে তার বাড়ি গাউছিয়া উদ্দেশ্যে একটি সিএনজিতে উঠে। সিএনজিতে আগে থেকেই জাহাঙ্গীর হোসেন নামে একজন বসা ছিল। পরে সিএনজিটি গাউছিয়া পৌছানোর পর গার্মেন্স কর্মী নেমে যাওয়ার জন্য চালককে থামাতে বললে জাহাঙ্গীর হোসেন তাকে বাধা দেয়। এ সময় গার্মেন্স কর্মী ডাক চিৎকার দেওয়ার চেষ্টা করলে তার মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে দিয়ে সোনারগাঁয়ের তালতলা এলাকায় ব্রাহ্মনবাওগাঁ গ্রামের হালিম মিয়ার বাড়িতে নিয়ে সন্ধ্যার পর থেকে রাতভর জাহাঙ্গীর হোসেন, আবু সাইদ, আরিফ হোসেন, ইমরান মিয়া, রনি মিয়া, আবুল হোসেন, মাসুদ মিয়া একের পর এক ওই তরুনীতে গনধর্ষন করে। পরে রাত ৩টায় বাড়ির মালিক হালিম কাজ শেষে বাড়ী ফেরার পর এ ঘটনা দেখে ধর্ষকদের মেয়েটিকে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করে। এতে ধর্ষকরা রাজী না হওয়ায় হওয়ায় হালিম মিয়ার আশপাশের লোকজনের সহায়তায় তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশকে খবর দিলে ধর্ষকরা টেরপেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক আহসান উল্লাহ জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করার পর পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৫ ধর্ষককে গ্রেফতার করে। অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

2