পুজা মন্ডপে হামলা, প্রতিমা ভাংচুর। ছাত্রলীগ, যুবলীগ সহ আহত ১০

4

সোনারগাঁ বার্তা ২৪ ডটকম: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার গাবতলী এলাকায় বুধবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় লক্ষী পুজামন্ডপে হামলা চালিয়ে প্রতিমা ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে। এসময় প্রতিপক্ষের হামলায় ৫টি গাড়ী ভাংচুর করে উপজেলা ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ১০ জন আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এলাকাবাসী ও পুজামন্ডপ কমিটির সদস্যরা জানান, উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের গাবতলী এলাকায় লহ্মীপুজা উপলক্ষে হরি সুদনের বাড়িতে পুজা মন্ডপ পরিদর্শনে যান নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিবের) সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক ডাঃ আবু জাফর চৌধুরী বিরু। এসময় তার সঙ্গে উপজেলা যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সহ অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা ছিলেন। এসময় পুজা মন্ডপে যাওয়া গাড়ী বহরে বাধা প্রদান করেন জামপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হুমায়ন কবির তার ছেলে রুবেল মিয়া, রোমান মিয়া, শ্যালক রিপন মিয়া সহ ২৫-৩০ জনের একদল সন্ত্রাসী বাহিনী। এসময় তারা পিস্তল, হকিস্টিক, লোহার রডসহ দেশী অস্ত্রে সজ্জীত হয়ে হামলা চালিয়ে যুবলীগ নেতা মোখলেছুর রহমান, ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল হোসনে, নাফি মিয়া ও জাহিদ হোসেন সহ কম পক্ষে ১০ জনকে পিটিয়ে মারাত্মক ভাবে আহত করে।

এসময় সন্ত্রাসীরা ডাঃ আবু জাফর চৌধুরী বিরুর গাড়ী বহরে হামলা চালীয়ে ৪-৫ টি গাড়ী ভাংচুর করে। এসময় সন্ত্রাসীরা লক্ষী পুজামন্ডপে হামলা চালিয়ে প্রতিমা ভাংচুর করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে সমর্থ হয়।

উপজেলা পুজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ কুমার ভৌমিক জানান, হুমায়ন মেম্বারের নেতৃত্বে পুজা মন্ডপে হামলা চালিয়ে প্রতিমা ভাংচুর করা হয়েছে। বিষয়টি অতন্ত দুঃখজনক। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানান তিনি।

সোনারগাঁ থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, প্রতিমা ভাংচুর ও সংঘর্ষের ঘটনার সংবাদ পেয়ে ঘটনা স্থলে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করা হয়েছে। এবিষয়ে মামলার প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

4